এখনো দাড়িয়ে আছো কেনো যাও চেন্স করে ঘুমিয়ে পড়ো

এখনো দাড়িয়ে আছো কেনো যাও চেন্স করে ঘুমিয়ে পড়ো  আবিরের কথায় রুশা মাথা নাড়িয়ে ওয়াশরুমে চলে যায় দেখতে দেখতে আরও চার মাস কেটে যায় এই চার মাসে আবির আর রুশার সম্পর্কটা কিছুটা স্বাভাবিক হয়েছে। কিন্তু জয় আর রিয়ার সম্পর্কের কোনো পরিবর্তন হয়নি।

রুশা জয়কে অন্য মেয়েদের সাথে টাইমপাস করা ফেরাতে পারলেও রিয়ার সাথে সম্পর্ক স্বাভাবিক করাতে পারে নি। রিয়ার প্রেগন্যান্সির এখন আট মাস। জয় সব সময় ঘর বন্দী হয়ে থাকে কারো সাথে কথা বলে না। ঠিক মতো খায় না।

তোমাকে একবার দেখতে এলাম। যদি কখনো আর দেখতে না পায়  জয় কি হয়েছে তোমার এভাবে বলছো কেনো শেষ বার আমাকে একটু জড়িয়ে ধরবে রুশা রুশা বুঝতে পারছে না কি করবে বা বলবে।

এর আগে কখনো জয় এমন কথা নলে নি তাহলে আজ কি হলো জয় রুশার উওরের অপেক্ষা না করে রুশাকে জড়িয়ে ধরে কেঁদে ফেলে লাভ ইউ রুশা লাভ ইউ সো আমি তোমাকে আবিরের সাথে সয্য করতে পারি না তুমি শুধু আমার রুশা।

জয়ের রুশা  জয় রুশা কে কিছু বলার সুযোগ না দিয়ে বেরিয়ে যায় জয় চলে যাওয়ার কিছুখন পরে আবির আর রিয়া চলে আসে। আবির রিয়াকে সোফায় বসিয়ে রুশাকে ডাকে  তোমরা এসে গেছো?

ডাক্তার কি বললো বেবি ভালো আছে আবির বসতে বসতে বলে  বেবি ভালো আছে  তুমি রিয়াকে খাবার দাও  ভাইয়া আমি পরে খাবো আগে জয়কে দেখে আসি  তুই একা জেতে পারবি  হ্যাঁ পারবো আপু আমি যাই তোমার সাথে  না আমি পারবো তুই বরং ভাইয়াকে খেতে দে রাস্তায় বলছিলো ওর খুব খিদে পেয়েছে  ঠিক আছে তুমি হাত মুখ ধুয়ে আসো আমি খাবার বারছি।

আপু তুমি জয় ভাইয়াকেও নিয়ে এসো আজ সবাই একসাথে লান্স করবো  আচ্ছা রিয়া জয়কে ডাকতে যায় রুশা কিচেনে চলে যায় আর আবির ওয়াশরুমে কিছুখন পরে রিয়ার একটা চিৎকার শুনে রুশার বুকের ভেতর মোচর দেয় মনে হয় জয়ের কিছু হয়েছে। রুশা আর আবির তারাতাড়ি করে জয়ের বাসায় যায়।

Check Also

বাবা-মার কথা শুনতেই আরিহার মাথায় ধব করে

বাবা-মার কথা শুনতেই আরিহার মাথায় ধব আগুন জ্বলে উঠে পায়ের রক্ত মাথায় চড়ে বসে। চোখ …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *